ছেলেদের ব্রেন বনাম মেয়েদের ব্রেন
বিজ্ঞানী, চিকিৎসক, মনোবিজ্ঞানী, সমাজবিজ্ঞানীদের পরিচালিত বিভিন্ন গবেষণায় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, পুরুষ ও মহিলাদের মস্তিষ্কে গঠনগত পার্থক্য ছাড়াও আছে তথ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ পদ্ধতির ভিন্নতা। তাই তাদের উপলব্ধি, কল্পনা, স্বভাব ও পারদর্শীতার ক্ষেত্রগুলোও ভিন্ন।
শারীরিক কাঠামোর দিক দিয়ে পুরুষরা অধিক শক্তিশালী এবং পেশিশক্তিও তাদের বেশি। সাধারণভাবে পুরুষদের মস্তিষ্কের ওজন মহিলাদের তুলনায় ১০০ গ্রাম এবং মস্তিষ্কের কোষকলার সংখ্যা ৪% বেশি। মস্তিষ্ক বড় হওয়া মানে এই নয় যে, তারা বেশি বুদ্ধিমান; বরং অধিক মাংসবহুল শরীরকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্যই বড় মস্তিষ্কের প্রয়োজন।
মহিলাদের বিপাকীয় পদ্ধতি পুরুষদের তুলনায় শ্লথ, তবে হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন মহিলাদের কিছুটা বেশি। মহিলাদের ফুসফুস অপেক্ষাকৃত ছোট; কিন্তু কিডনি, পাকস্থলী, যকৃৎ পুরুষদের তুলনায় বড়। সন্তান জন্মদান, স্তন্যদান ইত্যাদি কারণে হরমোন-সংক্রান্ত কার্যকারিতার ব্যাপকতা মহিলাদের বেশি। ক্রোমোজমাল গাঠনিক বৈশিষ্ট্যগত কারণে মহিলাদের জীবনীশক্তি বেশি এবং সাধারণভাবে তারা পুরুষদের তুলনায় বেশি দিন বাঁচে।
মহিলাদের মস্তিষ্কের ডান ও বাম অংশের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের কাজে ব্যবহৃত কোষকলার সংখ্যা পুরুষদের তুলনায় প্রায় চার গুণ বেশি। পুরুষরা কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য মস্তিষ্কের বাম অংশের ওপর অধিক মাত্রায় নির্ভর করে। একটি অংশের ওপর নির্ভর করায় তারা একসঙ্গে একের অধিক কাজে মনোযোগ ঘটাতে পারে না। মহিলারা অনেকটা স্বাচ্ছন্দ্যেই মস্তিষ্কের দুটি অংশের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে পারায় একই সময়ে একের অধিক বিষয়ে মনোযোগ দিতে পারে এবং একই সময়ে বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করতে সক্ষম। যদিও মহিলা এবং পুরুষ কোনো সমস্যার একই সিদ্ধান্তে পৌঁছতে এবং একই ধরনের সমাধান দিতে পারে। তবে দু’দলের তথ্যাদি বিশ্লেষণ পদ্ধতি বিভিন্ন হওয়ায় দু’দল দুটি ভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কার্যটি সম্পাদন করে।
শরীরবৃত্তীয় কারণেই পুরুষ ও মহিলাদের অনুভূতির ক্ষেত্রেও পার্থক্য বিদ্যমান। পুরুষদের মধ্যকরোটিগত লোব যা গণনা সংক্রান্ত কার্য সম্পাদন করে থাকে, তা অপেক্ষাকৃত বড় হওয়ায় তারা সাধারণভাবে অংক, জ্যামিতি ইত্যাদিতে পারদর্শী হয়। স্থান সম্পর্কিত ধারণা বেশি থাকায় তারা অনেকটা সহজে মানচিত্রের ভাষা বুঝতে পারে। মহিলাদের ‘লিমবিক সিস্টেম’ বা অনুভূতি নিয়ন্ত্রণ-সংক্রান্ত অংশ গভীর ও বিস্তৃত হওয়ায় তারা আবেগ ও অনুভূতি বিশ্লেষণে, বিস্তৃত মাত্রায় তথ্য সংগ্রহে, তথ্যগুলোর মধ্যে পারম্পরিক সম্পর্ক চিহ্নিত ও যোগাযোগ তৈরি করার ক্ষেত্রে অধিক পারদর্শী। সাধারণভাবে বলা যায়, পুরুষরা পদার্থবিদ্যা এবং অংকে পারদর্শী আর মহিলারা পারদর্শী ভাষা জ্ঞানে ও আবেগ-অনুভূতি অনুধাবনের ক্ষেত্রে।
ইস্টোজেন হরমোনের প্রভাবে মহিলারা অনেকটাই নমনীয় হয়ে থাকে। পুরুষ ও মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রেই আক্রমণাত্মক উদ্দীপনা এবং স্বভাব ‘টেসটোসটেরন হরমোন’-এর উচ্চমাত্রার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত। আক্রমণাত্মক পুরুষদের মধ্যে ‘ইস্টোজেন হরমোন’-এর মাত্রা বৃদ্ধির ফলে তাদের মধ্যে নমনীয়তা বৃদ্ধির প্রমাণ পাওয়া গেছে। অপর দিকে মহিলাদের মধ্যে উচ্চমাত্রার ‘টেসটোসটেরন হরমোন’ প্রয়োগ তাদের আবেগ এবং অনুভূতিকে অনেকটাই প্রশমিত করে তোলার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
পুরুষরা একবারে অধিক সমস্যা বিবেচনায় আনতে পারে না, তাই তারা একের অধিক সমস্যার ক্ষেত্রে প্রত্যেকটিকে আলাদা আলাদা করে চিন্তা করে। সম্পর্ক গড়ার ক্ষমতা কম হওয়ায় সম্পর্কযুক্ততাকে কম প্রাধান্য দিয়ে তারা ঘটনা প্রবাহের প্রত্যেকটিকে আলাদা আলাদা করে চিন্তা করে। সমস্যাকে নিজেদের থেকে আলাদা করে দেখার শক্তি পুরুষদের বেশি, তাই তারা সমস্যার জটিলতা (যদি থেকে থাকে) অনেক ক্ষেত্রেই বুঝে উঠতে ব্যর্থ হয়। সমস্যাকে সরল এবং ছোট করে আনার চেষ্টা তাদের সহজাত। তাই অনেক ক্ষেত্রে সাফল্যজনক সিদ্ধান্তের জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ ছোট ছোট সম্ভাব্য জটিলতাগুলো তাদের দৃষ্টি এড়িয়ে যায়। যদিও একই সময়ে একের অধিক সমস্যার প্রতি তারা মনোনিবেশ করতে পারে না; কিন্তু একই সমস্যার সমাধানের চেষ্টা বারবার করতে পারে।
বিষয় বোঝার সহজাত ক্ষমতা যাকে ‘ইনটুইশন’ বলা হয়, তা মহিলাদের বেশি যেন অনেকটাই অতি প্রাকৃতিক। এ কারণেই কোনো বিষয়ের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম অনেক দিক ছেলেরা যেমন ধারণাই করতে পারে না, মহিলারা সেসব ব্যাপার সহজেই অনুধাবন করতে পারে। তারা একই সময়ে বিভিন্ন উৎসপ্রাপ্ত তথ্যের গভীরতা খতিয়ে দেখে, বিভিন্ন ঘটনার সূক্ষ্ম সম্পৃক্ততা যাচাই করে নিজস্ব অভিজ্ঞতার আলোকে বিশ্লেষণ করে। তারা ঘটনাপ্রবাহকে আলাদা আলাদা না করে পারস্পরিক সম্পৃক্ততার ভিত্তিতে সমষ্টিগতভাবে বিবেচনা করতে সক্ষম হয়। সমস্যা থেকে তারা নিজেকে আলাদা করে দেখতে পারে না এবং তাই সমস্যা-সংক্রান্ত সম্ভাব্য জটিলতা অনেক ক্ষেত্রে তাদের কিছুটা আচ্ছন্নও করে তোলে।
একসঙ্গে ভাগাভাগি করে কোনো কাজ সম্পাদন করাকে পুরুষরা সাধারণত ঘনিষ্ঠতা বলে মনে করে। মহিলাদের প্রকাশ করার ক্ষমতা বেশি হওয়ায় কথা বলার মাধ্যমে যোগাযোগ স্থাপন এবং আবেগ-অনুভূতি ও ধারণার আদান-প্রদানের মাধ্যমে ঘনিষ্ঠতার প্রকাশ ঘটায়। খুব বেশি আবেগপ্রবণ হয়ে না উঠলে সাধারণত পুরুষরা আবেগ-অনুভূতি প্রকাশে অস্বস্তি অনুভব করে।
জন্মের সময় থেকেই দুটি লিঙ্গের পার্থক্যগুলো স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ছেলে শিশু যখন সম্মুখে ঘূর্ণয়মান কোনো বস্তু দেখেই অনেকটা শান্ত হয়ে থাকে, মেয়ে শিশু সে ক্ষেত্রে অন্য কোনো মানুষের মুখ দেখে খুশি হয়। মেয়ে শিশুদের স্নিগ্ধ কথা বা গান দিয়ে সহজেই ভুলিয়ে ফেলা যায়। ভাষা পুরোপুরি বোঝার আগেই ভাষার অন্তর্নিহিত আবেগ তারা অনেকটাই অনুধাবন করতে পারে। মেয়ে শিশুরা ছেলে শিশুদের তুলনায় আগে কথা বলতে শেখে এবং স্কুলে ভর্তির বয়স হওয়ার আগেই অনেকটা স্পষ্টভাবে কথা বলতে পারে। ভাষা জ্ঞান বিশেষ করে ব্যাকরণ, বানান, বাক্যগঠন ইত্যাদিতে তারা বেশি পারদর্শী হওয়ায় পরে বিদেশী কোনো ভাষা তারা সহজে রপ্ত করতে পারে। তোতলামো বা কথা
বলাজনিত অসুবিধা ছেলেদের মধ্যে বেশি। মেয়েদের শ্রবণশক্তি বেশি। তাই তারা গলার স্বরের সামান্য তারতম্যও অনুধাবন করতে পারে। দৃষ্টিশক্তি আলোর শেষ প্রান্ত মানে ‘রেড লাইট’ পর্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় মেয়েদের দৃষ্টিনির্ভর (ভিজুয়াল) স্মরণশক্তি বেশি প্রখর। তাছাড়া রেটিনাতে আলো গ্রহণের জন্য অধিক সংখ্যক নালি থাকায় বৃহৎ ক্ষেত্রগুলোতে মহিলাদের দৃষ্টিশক্তি বেশি প্রসারিত হয়। পুরুষরা উজ্জ্বল আলোতে বেশি দেখতে পায়।
ধৈর্য এবং কষ্টসহিষ্ণুতা পুরুষের চেয়ে মহিলাদের বেশি এবং ব্যথা নির্ণয়ের ক্ষেত্রেও মহিলারা অধিক ক্ষিপ্র, দ্রুত এবং নির্ভুল। দেখা গেছে, সম্ভাব্য বিপদের ক্ষেত্রগুলোতে মহিলাদের অনুভূতির প্রখরতা বেশি। তাই অনেক সময় এসব ক্ষেত্রে মহিলাদের শরীরবৃত্তীয় অনুভূতিতে এক ধরনের আশংকাজনিত সংকেতের সৃষ্টি হয়। অন্যের আবেগজনিত অনুভূতি মেয়েরা যেখানে অনেকটা সহজেই অনুধাবন করতে পারে, পুরুষরা সে ক্ষেত্রে এতটাই পিছিয়ে যে, কেঁদে না ফেললে বা নিজের শারীরিক ক্ষতি সাধন না করে ফেলা পর্যন্ত অন্যের কষ্টের অনুভূতিগুলো তারা বুঝে উঠতে পারে না।
ছেলেদের ব্রেন খুব ইউনিক। এটা অনেকগুলো ছোট ছোট বাক্স নিয়ে গঠিত। আমাদের ছেলেদের সবকিছুর জন্য আলাদা বাক্স আছে। একটা বাক্স আছে গাড়ির জন্যে, একটা বাড়ির জন্যে, একটা চাকরীর জন্য, একটা টাকার জন্যে, একটা স্ত্রীর জন্যে, একটা ছেলেমেয়েদের জন্যে এবং একদম নিজের দিকে কোন কর্নারে মায়ের জন্যেও ছোটোখাটো একটা আছে। এবং আমাদের প্রধান নিয়ম হচ্ছে কোনমতেই একটা বাক্স আরেকটাকে স্পর্শ করে না।
যখন কোন ছেলে কোন নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে চিন্তা বা আলোচনা করে তখন সে সেই নির্দিষ্ট বাক্সের কাছে যায়, খুব সাবধানে বাক্সটি হাতে তুলে ন্যায়, তারপর আসতে করে খুলে শুধুমাত্র সেই বাক্সের মধ্যে যা থাকে তাই নিয়েই আলোচনায় বা চিন্তায় মন দেয়। তারপরে কাজ শেষে খুব খুব সাবধানে বাক্সটি ঠিক আগের জায়গায় এমনভাবে রেখে দেয় যেন কোনভাবেই অন্য কোন বাক্সকে সেটা স্পর্স না করে।
অন্যদিকে মেয়েদের ব্রেন ছেলেদের চেয়ে একদমই আলাদা। এটা অনেকটা বিশাল এক তারের কুণ্ডলী নিয়ে গঠিত এবং এমনভাবে গঠিত যে সবকিছুর সাথেই সবকিছুর যোগাযোগ রয়েছে। টাকার সাথে গাড়ি কানেক্টেড, গাড়ির সাথে তার চাকরী, চাকরীর সাথে ছেলেমেয়ে, ছেলেমেয়ের সাথে মা, বাবা, স্বামী; মোট কথা সবকিছুর সাথেই সবকিছু জটলা পাকানো। এটা অনেকটা ইন্টারনেট সুপার-হাইওয়ের মতো। এবং এটা পরিচালিত হয় একটা বিশেষ শক্তির সাহায্যে যাকে আমরা বলি "ইমোসন"। মেয়েরা কেন কোনকিছুই ভুলে যায়না এটাই তার কারণ। যদি জীবনের কোন একটা ঘটনাকে এই ইমোসনের সাথে সংযুক্ত করা হয় তাহলে সেটা মস্তিষ্কের মেমরিতে বার্ন হয়ে স্থায়ী জায়গা করে নেয় যেটা আর ভোলা সম্ভব হয়না।
ছেলেদের ব্রেনে একটা বিশেষ বক্স আছে যেটা সম্পর্কে মেয়েরা জানেনা। সেই বাক্সটা সম্পুর্ন খালি, ভেতরে একদম কিচ্ছু নেই। আমাদের ব্রেনে যতগুলো বাক্স আছে সবগুলোর মধ্যে এই খালি বাক্সটাই আমাদের প্রিয় বাক্স। ছেলেরা সময় পেলেই এই খালি বাক্সর মধ্যে থেকে ঘুরে আসে। এইজন্যই ছেলেরা একদম কিচ্ছু না করেও ঘন্টার পর ঘন্টা পার করে দিতে পারে যেটা মেয়েরা পারেনা। যেমন বলা যায় বড়শি দিয়ে মাছ ধরা। বড়শি ফেলে আমরা হাঁ করে পানির দিকে তাকিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা পার করে দিতে পারি। বা বাড়িতে বসে টিভির শুধু রিমোট ঘুরিয়ে যাওয়ার মতো, আসলে কিছুই দেখছি না শুধু চ্যানেল পালটিয়ে যাচ্ছি। একটু পরেই দেখা যাবে স্ত্রী পাশে থেকে চিল্লাচ্ছে - "কি করতেছ? শুধু চ্যানেল ঘুরাচ্ছ? কিছুই তো দেখতেছ না।"
বেশ কিছুদিন আগে ইউনিভার্সিটি অব পেন্সাল্ভেনিয়া একটা রিসার্চ করে দেখতে পায় ছেলেদের মস্তিষ্ক সত্যি সত্যিই একদম কিচ্ছু চিন্তা না করেও শুধু শ্বাস-প্রশ্বাস চালিয়ে যেতে পারে। মেয়েরা এটা কিছুতেই পারেনা, তাদের মস্তিষ্ক কখনই চিন্তা করা থামাতে পারেনা। সবসময়েই কোন না কোন চিন্তা নিয়ে ব্যাস্ত থাকে।
এই কারণে ছেলেদের এই ফাকা বাক্সর কনসেপ্ট তারা কিছুতেই বুঝতে পারেনা। তারা অবাক এবং একি সাথে এই চিন্তা করে বিরক্ত হয় যে ছেলেরা কিভাবে এইরকম কিছুই না করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় পার করে?
তাদের মস্তিষ্কের এই অদ্ভুত গঠন তাদের মেন্টাল স্ট্রেস ডিল করার প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রেও মজার প্রভাব ফেলে। যখন কোন ছেলে খুব স্ট্রেস ফিল করে তখন সে চায় যেভাবেই হোক তার সেই ফাকা বাক্সর কাছে ছুটে যেতে। এই মুহুর্তে আমরা সবথেকে বিরক্তবোধ করি কথা বলতে। আমরা চাই একদম কিছু না করে চুপচাপ একা একা কিছু সময় পার করতে। ঠিক তখনই আমাদের স্ত্রীরা আমাদের কাছে এসে কথা বলতে শুরু করে- এভাবে চুপচাপ কি ভাবছ? কি হোল? কথা বলোনা কেন? ব্লা ব্লা ........ আর জাবাবে আমরা যদি একবার বলি - "কিছুই না" তাইলেই খবর আছে। নিশ্চয়ই তুমি কিছু ভাবছ? আমার কাছে থেকে কি লুকাচ্ছ? দেখো আমার কাছ থেকে কিছু লুকায় রাখতে পারবা না ব্লা ব্লা ব্লা ব্লা। তারা এই "কিছুই না ভাবার" কনসেপ্টটা ধরতেই পারে না।
আর যখন কোন মেয়ে স্ট্রেস ফিল করে তাহলে সে যেটা চায় সেটা হোল ব্যাপারটা নিয়ে কারো সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা প্যাচাল পারতে। সে এমন ফিল করে যে ব্যাপারটা নিয়ে কথা না বলতে পারলে মনেহয় তার ব্রেন যেকোনো সময় বার্স্ট করবে।
আজ এই পর্যন্তই, আমাদের চ্যানেলের নিয়মিত আপডেট পাওয়ার জন্য আমাদের চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করে রাখুন এবং বেল বাটনটি বাজিয়ে দিন। ভালো থাকবেন এবং আমাদের সাথে থাকবেন।
শারীরিক কাঠামোর দিক দিয়ে পুরুষরা অধিক শক্তিশালী এবং পেশিশক্তিও তাদের বেশি। সাধারণভাবে পুরুষদের মস্তিষ্কের ওজন মহিলাদের তুলনায় ১০০ গ্রাম এবং মস্তিষ্কের কোষকলার সংখ্যা ৪% বেশি। মস্তিষ্ক বড় হওয়া মানে এই নয় যে, তারা বেশি বুদ্ধিমান; বরং অধিক মাংসবহুল শরীরকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্যই বড় মস্তিষ্কের প্রয়োজন।
মহিলাদের বিপাকীয় পদ্ধতি পুরুষদের তুলনায় শ্লথ, তবে হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন মহিলাদের কিছুটা বেশি। মহিলাদের ফুসফুস অপেক্ষাকৃত ছোট; কিন্তু কিডনি, পাকস্থলী, যকৃৎ পুরুষদের তুলনায় বড়। সন্তান জন্মদান, স্তন্যদান ইত্যাদি কারণে হরমোন-সংক্রান্ত কার্যকারিতার ব্যাপকতা মহিলাদের বেশি। ক্রোমোজমাল গাঠনিক বৈশিষ্ট্যগত কারণে মহিলাদের জীবনীশক্তি বেশি এবং সাধারণভাবে তারা পুরুষদের তুলনায় বেশি দিন বাঁচে।
মহিলাদের মস্তিষ্কের ডান ও বাম অংশের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের কাজে ব্যবহৃত কোষকলার সংখ্যা পুরুষদের তুলনায় প্রায় চার গুণ বেশি। পুরুষরা কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য মস্তিষ্কের বাম অংশের ওপর অধিক মাত্রায় নির্ভর করে। একটি অংশের ওপর নির্ভর করায় তারা একসঙ্গে একের অধিক কাজে মনোযোগ ঘটাতে পারে না। মহিলারা অনেকটা স্বাচ্ছন্দ্যেই মস্তিষ্কের দুটি অংশের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করতে পারায় একই সময়ে একের অধিক বিষয়ে মনোযোগ দিতে পারে এবং একই সময়ে বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করতে সক্ষম। যদিও মহিলা এবং পুরুষ কোনো সমস্যার একই সিদ্ধান্তে পৌঁছতে এবং একই ধরনের সমাধান দিতে পারে। তবে দু’দলের তথ্যাদি বিশ্লেষণ পদ্ধতি বিভিন্ন হওয়ায় দু’দল দুটি ভিন্ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কার্যটি সম্পাদন করে।
শরীরবৃত্তীয় কারণেই পুরুষ ও মহিলাদের অনুভূতির ক্ষেত্রেও পার্থক্য বিদ্যমান। পুরুষদের মধ্যকরোটিগত লোব যা গণনা সংক্রান্ত কার্য সম্পাদন করে থাকে, তা অপেক্ষাকৃত বড় হওয়ায় তারা সাধারণভাবে অংক, জ্যামিতি ইত্যাদিতে পারদর্শী হয়। স্থান সম্পর্কিত ধারণা বেশি থাকায় তারা অনেকটা সহজে মানচিত্রের ভাষা বুঝতে পারে। মহিলাদের ‘লিমবিক সিস্টেম’ বা অনুভূতি নিয়ন্ত্রণ-সংক্রান্ত অংশ গভীর ও বিস্তৃত হওয়ায় তারা আবেগ ও অনুভূতি বিশ্লেষণে, বিস্তৃত মাত্রায় তথ্য সংগ্রহে, তথ্যগুলোর মধ্যে পারম্পরিক সম্পর্ক চিহ্নিত ও যোগাযোগ তৈরি করার ক্ষেত্রে অধিক পারদর্শী। সাধারণভাবে বলা যায়, পুরুষরা পদার্থবিদ্যা এবং অংকে পারদর্শী আর মহিলারা পারদর্শী ভাষা জ্ঞানে ও আবেগ-অনুভূতি অনুধাবনের ক্ষেত্রে।
ইস্টোজেন হরমোনের প্রভাবে মহিলারা অনেকটাই নমনীয় হয়ে থাকে। পুরুষ ও মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রেই আক্রমণাত্মক উদ্দীপনা এবং স্বভাব ‘টেসটোসটেরন হরমোন’-এর উচ্চমাত্রার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত। আক্রমণাত্মক পুরুষদের মধ্যে ‘ইস্টোজেন হরমোন’-এর মাত্রা বৃদ্ধির ফলে তাদের মধ্যে নমনীয়তা বৃদ্ধির প্রমাণ পাওয়া গেছে। অপর দিকে মহিলাদের মধ্যে উচ্চমাত্রার ‘টেসটোসটেরন হরমোন’ প্রয়োগ তাদের আবেগ এবং অনুভূতিকে অনেকটাই প্রশমিত করে তোলার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
পুরুষরা একবারে অধিক সমস্যা বিবেচনায় আনতে পারে না, তাই তারা একের অধিক সমস্যার ক্ষেত্রে প্রত্যেকটিকে আলাদা আলাদা করে চিন্তা করে। সম্পর্ক গড়ার ক্ষমতা কম হওয়ায় সম্পর্কযুক্ততাকে কম প্রাধান্য দিয়ে তারা ঘটনা প্রবাহের প্রত্যেকটিকে আলাদা আলাদা করে চিন্তা করে। সমস্যাকে নিজেদের থেকে আলাদা করে দেখার শক্তি পুরুষদের বেশি, তাই তারা সমস্যার জটিলতা (যদি থেকে থাকে) অনেক ক্ষেত্রেই বুঝে উঠতে ব্যর্থ হয়। সমস্যাকে সরল এবং ছোট করে আনার চেষ্টা তাদের সহজাত। তাই অনেক ক্ষেত্রে সাফল্যজনক সিদ্ধান্তের জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ ছোট ছোট সম্ভাব্য জটিলতাগুলো তাদের দৃষ্টি এড়িয়ে যায়। যদিও একই সময়ে একের অধিক সমস্যার প্রতি তারা মনোনিবেশ করতে পারে না; কিন্তু একই সমস্যার সমাধানের চেষ্টা বারবার করতে পারে।
বিষয় বোঝার সহজাত ক্ষমতা যাকে ‘ইনটুইশন’ বলা হয়, তা মহিলাদের বেশি যেন অনেকটাই অতি প্রাকৃতিক। এ কারণেই কোনো বিষয়ের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম অনেক দিক ছেলেরা যেমন ধারণাই করতে পারে না, মহিলারা সেসব ব্যাপার সহজেই অনুধাবন করতে পারে। তারা একই সময়ে বিভিন্ন উৎসপ্রাপ্ত তথ্যের গভীরতা খতিয়ে দেখে, বিভিন্ন ঘটনার সূক্ষ্ম সম্পৃক্ততা যাচাই করে নিজস্ব অভিজ্ঞতার আলোকে বিশ্লেষণ করে। তারা ঘটনাপ্রবাহকে আলাদা আলাদা না করে পারস্পরিক সম্পৃক্ততার ভিত্তিতে সমষ্টিগতভাবে বিবেচনা করতে সক্ষম হয়। সমস্যা থেকে তারা নিজেকে আলাদা করে দেখতে পারে না এবং তাই সমস্যা-সংক্রান্ত সম্ভাব্য জটিলতা অনেক ক্ষেত্রে তাদের কিছুটা আচ্ছন্নও করে তোলে।
একসঙ্গে ভাগাভাগি করে কোনো কাজ সম্পাদন করাকে পুরুষরা সাধারণত ঘনিষ্ঠতা বলে মনে করে। মহিলাদের প্রকাশ করার ক্ষমতা বেশি হওয়ায় কথা বলার মাধ্যমে যোগাযোগ স্থাপন এবং আবেগ-অনুভূতি ও ধারণার আদান-প্রদানের মাধ্যমে ঘনিষ্ঠতার প্রকাশ ঘটায়। খুব বেশি আবেগপ্রবণ হয়ে না উঠলে সাধারণত পুরুষরা আবেগ-অনুভূতি প্রকাশে অস্বস্তি অনুভব করে।
জন্মের সময় থেকেই দুটি লিঙ্গের পার্থক্যগুলো স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ছেলে শিশু যখন সম্মুখে ঘূর্ণয়মান কোনো বস্তু দেখেই অনেকটা শান্ত হয়ে থাকে, মেয়ে শিশু সে ক্ষেত্রে অন্য কোনো মানুষের মুখ দেখে খুশি হয়। মেয়ে শিশুদের স্নিগ্ধ কথা বা গান দিয়ে সহজেই ভুলিয়ে ফেলা যায়। ভাষা পুরোপুরি বোঝার আগেই ভাষার অন্তর্নিহিত আবেগ তারা অনেকটাই অনুধাবন করতে পারে। মেয়ে শিশুরা ছেলে শিশুদের তুলনায় আগে কথা বলতে শেখে এবং স্কুলে ভর্তির বয়স হওয়ার আগেই অনেকটা স্পষ্টভাবে কথা বলতে পারে। ভাষা জ্ঞান বিশেষ করে ব্যাকরণ, বানান, বাক্যগঠন ইত্যাদিতে তারা বেশি পারদর্শী হওয়ায় পরে বিদেশী কোনো ভাষা তারা সহজে রপ্ত করতে পারে। তোতলামো বা কথা
বলাজনিত অসুবিধা ছেলেদের মধ্যে বেশি। মেয়েদের শ্রবণশক্তি বেশি। তাই তারা গলার স্বরের সামান্য তারতম্যও অনুধাবন করতে পারে। দৃষ্টিশক্তি আলোর শেষ প্রান্ত মানে ‘রেড লাইট’ পর্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় মেয়েদের দৃষ্টিনির্ভর (ভিজুয়াল) স্মরণশক্তি বেশি প্রখর। তাছাড়া রেটিনাতে আলো গ্রহণের জন্য অধিক সংখ্যক নালি থাকায় বৃহৎ ক্ষেত্রগুলোতে মহিলাদের দৃষ্টিশক্তি বেশি প্রসারিত হয়। পুরুষরা উজ্জ্বল আলোতে বেশি দেখতে পায়।
ধৈর্য এবং কষ্টসহিষ্ণুতা পুরুষের চেয়ে মহিলাদের বেশি এবং ব্যথা নির্ণয়ের ক্ষেত্রেও মহিলারা অধিক ক্ষিপ্র, দ্রুত এবং নির্ভুল। দেখা গেছে, সম্ভাব্য বিপদের ক্ষেত্রগুলোতে মহিলাদের অনুভূতির প্রখরতা বেশি। তাই অনেক সময় এসব ক্ষেত্রে মহিলাদের শরীরবৃত্তীয় অনুভূতিতে এক ধরনের আশংকাজনিত সংকেতের সৃষ্টি হয়। অন্যের আবেগজনিত অনুভূতি মেয়েরা যেখানে অনেকটা সহজেই অনুধাবন করতে পারে, পুরুষরা সে ক্ষেত্রে এতটাই পিছিয়ে যে, কেঁদে না ফেললে বা নিজের শারীরিক ক্ষতি সাধন না করে ফেলা পর্যন্ত অন্যের কষ্টের অনুভূতিগুলো তারা বুঝে উঠতে পারে না।
ছেলেদের ব্রেন খুব ইউনিক। এটা অনেকগুলো ছোট ছোট বাক্স নিয়ে গঠিত। আমাদের ছেলেদের সবকিছুর জন্য আলাদা বাক্স আছে। একটা বাক্স আছে গাড়ির জন্যে, একটা বাড়ির জন্যে, একটা চাকরীর জন্য, একটা টাকার জন্যে, একটা স্ত্রীর জন্যে, একটা ছেলেমেয়েদের জন্যে এবং একদম নিজের দিকে কোন কর্নারে মায়ের জন্যেও ছোটোখাটো একটা আছে। এবং আমাদের প্রধান নিয়ম হচ্ছে কোনমতেই একটা বাক্স আরেকটাকে স্পর্শ করে না।
যখন কোন ছেলে কোন নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে চিন্তা বা আলোচনা করে তখন সে সেই নির্দিষ্ট বাক্সের কাছে যায়, খুব সাবধানে বাক্সটি হাতে তুলে ন্যায়, তারপর আসতে করে খুলে শুধুমাত্র সেই বাক্সের মধ্যে যা থাকে তাই নিয়েই আলোচনায় বা চিন্তায় মন দেয়। তারপরে কাজ শেষে খুব খুব সাবধানে বাক্সটি ঠিক আগের জায়গায় এমনভাবে রেখে দেয় যেন কোনভাবেই অন্য কোন বাক্সকে সেটা স্পর্স না করে।
অন্যদিকে মেয়েদের ব্রেন ছেলেদের চেয়ে একদমই আলাদা। এটা অনেকটা বিশাল এক তারের কুণ্ডলী নিয়ে গঠিত এবং এমনভাবে গঠিত যে সবকিছুর সাথেই সবকিছুর যোগাযোগ রয়েছে। টাকার সাথে গাড়ি কানেক্টেড, গাড়ির সাথে তার চাকরী, চাকরীর সাথে ছেলেমেয়ে, ছেলেমেয়ের সাথে মা, বাবা, স্বামী; মোট কথা সবকিছুর সাথেই সবকিছু জটলা পাকানো। এটা অনেকটা ইন্টারনেট সুপার-হাইওয়ের মতো। এবং এটা পরিচালিত হয় একটা বিশেষ শক্তির সাহায্যে যাকে আমরা বলি "ইমোসন"। মেয়েরা কেন কোনকিছুই ভুলে যায়না এটাই তার কারণ। যদি জীবনের কোন একটা ঘটনাকে এই ইমোসনের সাথে সংযুক্ত করা হয় তাহলে সেটা মস্তিষ্কের মেমরিতে বার্ন হয়ে স্থায়ী জায়গা করে নেয় যেটা আর ভোলা সম্ভব হয়না।
ছেলেদের ব্রেনে একটা বিশেষ বক্স আছে যেটা সম্পর্কে মেয়েরা জানেনা। সেই বাক্সটা সম্পুর্ন খালি, ভেতরে একদম কিচ্ছু নেই। আমাদের ব্রেনে যতগুলো বাক্স আছে সবগুলোর মধ্যে এই খালি বাক্সটাই আমাদের প্রিয় বাক্স। ছেলেরা সময় পেলেই এই খালি বাক্সর মধ্যে থেকে ঘুরে আসে। এইজন্যই ছেলেরা একদম কিচ্ছু না করেও ঘন্টার পর ঘন্টা পার করে দিতে পারে যেটা মেয়েরা পারেনা। যেমন বলা যায় বড়শি দিয়ে মাছ ধরা। বড়শি ফেলে আমরা হাঁ করে পানির দিকে তাকিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা পার করে দিতে পারি। বা বাড়িতে বসে টিভির শুধু রিমোট ঘুরিয়ে যাওয়ার মতো, আসলে কিছুই দেখছি না শুধু চ্যানেল পালটিয়ে যাচ্ছি। একটু পরেই দেখা যাবে স্ত্রী পাশে থেকে চিল্লাচ্ছে - "কি করতেছ? শুধু চ্যানেল ঘুরাচ্ছ? কিছুই তো দেখতেছ না।"
বেশ কিছুদিন আগে ইউনিভার্সিটি অব পেন্সাল্ভেনিয়া একটা রিসার্চ করে দেখতে পায় ছেলেদের মস্তিষ্ক সত্যি সত্যিই একদম কিচ্ছু চিন্তা না করেও শুধু শ্বাস-প্রশ্বাস চালিয়ে যেতে পারে। মেয়েরা এটা কিছুতেই পারেনা, তাদের মস্তিষ্ক কখনই চিন্তা করা থামাতে পারেনা। সবসময়েই কোন না কোন চিন্তা নিয়ে ব্যাস্ত থাকে।
এই কারণে ছেলেদের এই ফাকা বাক্সর কনসেপ্ট তারা কিছুতেই বুঝতে পারেনা। তারা অবাক এবং একি সাথে এই চিন্তা করে বিরক্ত হয় যে ছেলেরা কিভাবে এইরকম কিছুই না করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় পার করে?
তাদের মস্তিষ্কের এই অদ্ভুত গঠন তাদের মেন্টাল স্ট্রেস ডিল করার প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রেও মজার প্রভাব ফেলে। যখন কোন ছেলে খুব স্ট্রেস ফিল করে তখন সে চায় যেভাবেই হোক তার সেই ফাকা বাক্সর কাছে ছুটে যেতে। এই মুহুর্তে আমরা সবথেকে বিরক্তবোধ করি কথা বলতে। আমরা চাই একদম কিছু না করে চুপচাপ একা একা কিছু সময় পার করতে। ঠিক তখনই আমাদের স্ত্রীরা আমাদের কাছে এসে কথা বলতে শুরু করে- এভাবে চুপচাপ কি ভাবছ? কি হোল? কথা বলোনা কেন? ব্লা ব্লা ........ আর জাবাবে আমরা যদি একবার বলি - "কিছুই না" তাইলেই খবর আছে। নিশ্চয়ই তুমি কিছু ভাবছ? আমার কাছে থেকে কি লুকাচ্ছ? দেখো আমার কাছ থেকে কিছু লুকায় রাখতে পারবা না ব্লা ব্লা ব্লা ব্লা। তারা এই "কিছুই না ভাবার" কনসেপ্টটা ধরতেই পারে না।
আর যখন কোন মেয়ে স্ট্রেস ফিল করে তাহলে সে যেটা চায় সেটা হোল ব্যাপারটা নিয়ে কারো সাথে ঘন্টার পর ঘন্টা প্যাচাল পারতে। সে এমন ফিল করে যে ব্যাপারটা নিয়ে কথা না বলতে পারলে মনেহয় তার ব্রেন যেকোনো সময় বার্স্ট করবে।
আজ এই পর্যন্তই, আমাদের চ্যানেলের নিয়মিত আপডেট পাওয়ার জন্য আমাদের চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করে রাখুন এবং বেল বাটনটি বাজিয়ে দিন। ভালো থাকবেন এবং আমাদের সাথে থাকবেন।
Comments
Post a Comment